হোম কোয়ারেন্টিনে ৪৭ হাজার, ছাড়পত্র পেলেন সাড়ে ১৬ হাজার জন

9

 

সবুজ সিলেট ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পরা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের সরকার। ভাইরাসটি যাতে সামাজিকভাবে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য রাজধানীসহ সারাদেশে সম্প্রতি বিদেশফেরত প্রবাসী এবং তাদের সংস্পর্শে আসা পরিবার ও অন্যান্য সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র প্রবাসফেরত নাগরিকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রবাসফেরত নাগরিকদের মধ্যে যারা তথ্য গোপন করছেন তাদের পাসপোর্ট বাতিল করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় আসা মানুষের সংখ্যা বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সম্পর্কিত সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে গত এক সপ্তাহে হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় এসেছে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

অথচ এক সপ্তাহ আগে (২০ মার্চ) হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকের সংখ্যা ছিল মাত্র ১৪ হাজার ২৬৪ জন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পর্যন্ত এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ১৮১ জনে। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ করে সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৭৪ জন।

জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় এসেছেন ৩০ হাজার ১৬৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় এসেছেন চার হাজার ৭৫ জন। একই সময়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন হাজার ৭৪৩ জন।

হোম কোয়ারেন্টিন ছাড়াও এ সময় হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থানে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন মোট ১৮০ জন। তাদের মধ্যে ২৯ জন ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১৫১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থানে কোয়ারেন্টিনের আওতায় এসেছেন ২৪ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, সামাজিকভাবে রোগটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষকে নিজ নিজ ঘরে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 

 

  •