গোলাপগঞ্জে অসহায়দের মাঝে পুলিশ সুপারের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

7

 

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি

বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসে প্রতিদিন আক্রান্তের সাথে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। কিছুতেই যেন লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের। প্রাণঘাতী এই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। তাতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। খাবারের জন্য দিনমজুরেরা হাহাকার করছেন। সারাদেশ ব্যাপী সরকারের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত আছে। অসহায়দের পাশে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা, এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় সিলেট জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার খলাগ্রাম ও সুবিধাবঞ্চিত বেদে পল্লীর ৬০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল ৫কেজি, ডাল ২কেজি, পিঁয়াজ ২কেজি, আলু ৩কেজি, তেল ১লিটার, লবণ ১কেজি, সাবান ১পিছ ও বেদে পল্লীর সরদারের কাছে ভাগ করে নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে নগদ ৩৫০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।

এসময় পুলিশ সুপার সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে হ্যান্ড মাইক দিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করার জন্য দিকনির্দেশনা দেন। তাছাড়া জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারণা চালান।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। দিনদিন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েই চলেছে। সারাদেশে অঘোষিত লকডাউন চলছে। লকডাউনের কারণে মানুষ ঘর থেকে বের না হওয়ার কারণে অসহায় হয়ে পড়েছেন। সারাদেশে সরকারে ত্রাণ বিতরণ চলছে৷ আমাদের জেলা পুলিশের উদ্যোগে আমরা আজ গোলাপগঞ্জে অসহায়দের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছি।

তিনি বলেন, এই ভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচতে হলে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মানুষ যাতে ঘর থেকে বের না হয় এবিষয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সরকারের নির্দেশনামতো কাজ করতেছি৷ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আমরা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) ইমাম মোহাম্মদ সাদিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাপগঞ্জ সার্কেল রাশেদুল হক চৌধুরী, অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমানসহ একদল পুলিশ।

  •