তাহিরপুরে বাচ্চাদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

13

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় মসজিদে ছোট বাচ্চাদের ঝগড়া করাকে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের সংঘর্ষে ৩০জন আহত হয়েছেন। গুরুত্বর আহতদের মধ্যে দু-পক্ষের ১০ জনকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে ও তিন জনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে শুক্রবারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমতল গ্রামে সুলতান ও মোতালের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার আমতল মসজিদে জুম্মার নামাজে গ্রামের মোতালের ছেলে ও সুলতানের ছেলে ঝগড়া হয়। এসময় উপস্থিত মুসল্লিরা সমাধান করে দেন। এই ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বিকালে স্থানীয় একতা বাজারে থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুলতানের ছেলে মনিরকে (১৫) মোতালের ছেলে সাদ্দাম (২২), কাজলের ছেলে সুজন (১৮) মারধর করে। মনিরের বাবা এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর কাছে বিচার দাবি করেন। পরে ওয়ার্ড মেম্বার সিদ্দিক এই বিষয়ে রোববার দু-পক্ষের লোকজন নিয়ে বিচারে বসা হবে বলে জানান।

এর মধ্যেই শনিবার দুপুরে সুলতান ও মোতালের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষে জরিয়ে পড়ে। এতে সুলতান হোসেন পক্ষে নাদিরা বেগম (২২), দুলাল মিয়া(৩৫), আনছর উদ্দিন (৩৫), মিরাজুল মিয়া (১৬), উজ্জ্বল মিয়া (১৫) তাহিরপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এবং শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আপন মিয়া (২৫), রিপন মিয়ার (২৮) অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাদের বিকালে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মোতালেবের পক্ষে মোতালেব মিয়া (৫৫), মো. কাজল মিয়া (৫০), সাদ্দাম হোসেন (২৮), মোলায়েম(২৬), সুজন মিয়া (১৮) তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আর কবির হোসেনকে (২৮) সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

 

  •