জুড়ীতে সামাজিক দূরত্ব না মানায় ৩জনকে জরিমানা

16

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং সেনাবাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দিনভর উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এসময় সরকারি আইন অমান্য করে কাপড়ের দোকান খোলা রাখায় মো. বাহার উদ্দিনকে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারায় ১০হাজার, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৪/৬৬ ধারায় নির্দেশ অমান্য করে গাড়ী চালানোর দায়ে আইনুল ও নাসির উদ্দিন প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অসীম চন্দ্র বনিক।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে প্রতিদিন প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে জনসাধারণকে অকারণে হাটবাজারে ঘোরাফেরা না করার জন্য প্রচারণা চালিয়ে আসছিল। এরপরও মানুষ নিষেধাজ্ঞা না মেনে কোনো কারণ ছাড়াই হাটবাজারে ঘোরাফেরা করছিল। শনিবার (১১ এপ্রিল) প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে পর্যবেক্ষণ শুরু করে। এই সময় কোনো কারণ ছাড়া হাটবাজার ও সড়কে ঘোরাফেরা করার কারণে ৩জনকে ১১ হাজার ৫০০টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশন, সিলেট সেনানিবাসের অধীনস্থ সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মাহাদী হাসান, জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অসীম চন্দ্র বনিক অর্থদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রতিদিন জনসাধারণকে সচেতন করতে কাজ করছে। মাইকিং হচ্ছে। অযথা ঘোরাফেরা না করতে আহবান করা হচ্ছে। তারপরও মানুষ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অকারণে বের হচ্ছেন। কোনো কারণ ছাড়া বের হওয়ায় ৩জনকে জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এখন থেকে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। রিকশা চালক ও টমটম চালকদের দ্রুত ত্রাণ সহায়তার আওতাভুক্ত করা হবে।

 

  •