শ্রীমঙ্গলে শিকারির বাড়ি থেকে ৬টি বিপন্ন পাখি উদ্ধার

15

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
শ্রীমঙ্গল উপজেলার সরকারবাজার এলাকার চিহ্নিত শিকারি কবিরাজ জাহাঙ্গীরের বাড়ি থেকে ২টি বিপন্ন ডাহুক, ৩টি ঘুঘু এবং একটি শালিক পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সহায়তায় ‘জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের অভিযানে এই পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়।

গোপন সূত্রে ”জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশন” টিমের কাছে খবর আসে সরকারবাজার রাজপাড়া এলাকার কবিরাজ চিহ্নিত পাখি শিকারি জাহাঙ্গীরের বাড়িতে শিকার করা প্রচুর পাখি রয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতেই শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সহায়তায় পাখিগুলো উদ্ধার করা হয় জানিয়ে জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি হৃদয় দেবনাথ বলেন, উদ্ধারের পরপরই আজ হাওর এলাকায় ৩টি পাখি অবমুক্ত করা হয়েছে। বাকি তিনটি পাখির ডানা কেটে ফেলায় আপাতত পাখি প্রেমী সোহেল শ্যাম এর তত্ত্বাবধানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সুস্থ হলে দ্রুতই তাদের মুক্ত করে দেয়া হবে।

এসময় অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন- জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের সদস্য সংবাদকর্মী পঙ্কজ কুমার নাগ, রূপক দত্ত, রিমন ইসলাম ও সুভাষ দাস তপন এবং শ্রীমঙ্গল থানার এস আই নয়ন কারকুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম।

এসময় শিকারি জাহাঙ্গীরকে স্থানীয় ইউপি সদস্যসের উপস্থিতিতে আর কোনোদিন পাখি শিকার করবে না মর্মে নিয়ে প্রথমবারের মতো ছেড়ে দেয়া হয়।

সাংবাদিক হৃদয় বলেন, যেখানেই পাখি শিকার হবে, প্রকৃতির উপর আঘাত আসবে খবর পেলে তাৎক্ষণিক ”জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশন” টিম পৌঁছে যাবে ঘটনাস্থলে।

এ বিষয়ে প্রাণ প্রকৃতি ও সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন জানান, ‘জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি হৃদয় দেবনাথ আমাকে অবহিত করেছিলেন কিন্তু লাউয়াছড়াতে একটি অভিযান থাকায় আমি যেতে পারিনি। তবে করোনার ঝুঁকির মধ্যেও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশন টিমের প্রতিটি সদস্য একের পর এক সফল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন যা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। আমি জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফাউন্ডেশের এ কাজগুলোকে সাধুবাদ জানাই।’

  •