বিয়ানীবাজারে ১২ জনের করোনা রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’

18

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে থাকা ১০ ব্যক্তিসহ ১২ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী।

তিনি জানান, হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা ১০ ব্যক্তির রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাদের বাড়ি ফিরে যাবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে বাড়ি ফিরলেও তারা যাতে হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলেন সেই নির্দেশনাও তাদেরকে দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাড়িতে গিয়ে সংগ্রহ করা অন্য সন্দেহভাজন দু’জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার হাসপাতালের একটি টিম আইসোলেশনে থাকা ৮ তাবলীগ ও ২ গার্মেন্টস কর্মীসহ আরো ২ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন। সন্দেহভাজন এই রোগীদের করোনা পরীক্ষার জন্য স্যাম্পল সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এদের মধ্যে ২ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ বিদ্যমান থাকলেও হাসপাতালের আইসোলেশনে ১০ জনের স্যাম্পল সতর্কতাস্বরূপ পাঠানো হয়। গত ৪ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত বিয়ানীবাজার উপজেলা থেকে সর্বমোট ১৯জনের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা জন্য প্রেরণ করা হয় এবং সবগুলো রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী বলেন, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে এমনিতেই আবহওয়াজনিত রোগের প্রকোপ রয়েছে। জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথা তাকে এই সময়ে। একই উপসর্গ থাকে করোনা ভাইরাস বহনকারী মানুষের মাঝেও। তবে যাদের মাঝে উপসর্গ রয়েছে তাদের নমুনা পরীক্ষা করলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ভাল হবে। এতে কোন ক্ষতি নেই, কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। তিনি বলেন, জ্বর-সর্দি দেখা দিলে সবার উচিত নমুনা পরীক্ষা করানো। এতে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। আতংকিত না হয়ে যদি ঠাণ্ডাজনিত উপসর্গ থাকে তাহলে সবার উচিত ডাক্তারদের পরামর্শ নেয়া।

  •