সেই ছাত্রলীগ নেতা জামিনে মুক্ত : মামলা দায়েরের প্রস্তুতি

954

স্টাফ রিপোর্টার
গত শুক্রবার নগরীর মাউন্ট অ্যাডোরা হাসাপাতালে করোনার চিকিৎসা নিয়ে ফেইসবুকে পোস্টকে কেন্দ্র করে নগরীর মিরবক্সটুলা মাউন্ট অ্যাডেরা হাসপাতালের সামানে সংঘর্ষের ঘটনায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক আদিত্য ইসলাম সালমান ও রেদওয়ান আহমদ।

জানা যায়, মাউন্ট অ্যাডোরা হাসাপাতাল কৃর্তপক্ষ হাসপাতালে করোনা ইউনিট স্থাপনের ঘোষণা দিলে একটি পক্ষ হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা না দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, সিলেটের সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক বরাবর স্মরকলিপি প্রদান করে। এনিয়ে সিলেটজুড়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ফেইসবুকে পক্ষে বিপক্ষে পোষ্ট করা হয়।

মাউন্ট অ্যাডোরা হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা প্রদানের পক্ষে পোষ্ট দেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক আদিত্য ইসলাম সালমান। এ নিয়ে ফেইবুকে মাউন্ট অ্যাডোরা হাসাপাতালে করোনর চিকিৎসা বাঁধা প্রদানকারী নগরীর মিরবক্সটুলার এক যুবকের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয় সালমানের।

গত শুক্রবার সালমান নগরীর মাউন্ট অ্যাডোরা হাসপাতালে রোগী দেখতে গেলে তার উপর হামলা চালায় মিরবক্সটুলা এলাকার কতিপয় দুর্বৃত্তরা। তখন সালমান ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ আসার পর তার হাতে একটি খেলনার পিস্তল ও রামদা দড়িয়ে দেয় হামলাকারীরা। হামলায় ছাত্রলীগ নেতা সালমানের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং সে আহত হয়। এ খবর পাওয়ার পর সালমানের মামা তাকে উদ্ধার করতে আসলে তার মামা রেদওয়াকেও পুলিশের সামনে মারধোর করা হয়। পরে পুলিশ আহত সালমান ও রেদওয়ানকে গ্রেপ্তার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পরে গত শনিবার বিকেল ৪টায় শনিবার বিকেল ৪টায় মেট্রোপলিটন দায়রা জজ থেকে মুক্তি পান সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আদিত্য ইসলাম সালমান ও তার মামা রেদওয়ান আহমদ।

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ নেতা আদিত্য ইসলাম সালমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছি। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়েরর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

মামলা দায়েরের ব্যাপারে কতোয়ালি মডেল থানার ওসি সেলিম মিঞার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

  •