যেমন আছেন করোনা ভ্যাকসিন ভলান্টিয়ার এলিসা গ্রানাতো?

59

সবুজ সিলেট ডেস্ক
অক্সফোর্ডে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পরীক্ষায় সর্বপ্রথম স্বেছায় অংশ নেওয়া ভলান্টিয়ার ড. এলিসা গ্রানাতো মারা গেছেন বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সত্য নয়। তিনি বেঁচে আছেন এবং পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। জানিয়েছে বিবিসি।

রোববার সকালে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সেন্টারে গবেষকরা এলিসার শারীরিক পরীক্ষা করেন এবং তার শরীর থেকে রক্তের নমুনা নেন। রক্তের নমুনা পরীক্ষার পর জানা যাবে, এলিসার শরীরে রোগপ্রতিরোধী এন্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা।এন্টিবডি তৈরি হলে তার শরীরে করোনাভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়া হবে। যদি এলিসার শরীরে তৈরি হওয়া এন্টিবডি করোনাভাইরাসকে মেরে ফেলতে সক্ষম হয়, তাহলেই ধরে নেয়া হবে যে সারাহ গিলবার্ট আবিষ্কৃত চ্যাডক্স -১৯ ভ্যাকসিনটি শতভাগ সফল ও কার্যকর হয়েছে।

এলিসা গ্রানাতোর শারীরিক সুস্থতা সম্পর্কে নিশ্চিত করে বিবিসির স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদদাতা ফারগাস ওয়ালশ বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার ঐসব খবর নেহাতই গুজব। ড. এলিসা গ্রানতো ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।

ড. গ্রানাতোর সাথে রোববার স্কাইপে’তে বিবিসির সংবাদদাতার কয়েক মিনিট কথাও হয়। ওই সময় ভ্যাকসিন ভলান্টিয়ার, যিনি পেশায় একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জানান, তিনি খুবই ভালো আছেন। আজকের সুন্দর রোদ উপভোগ করছেন তিনি।

ড. গ্রানাতো জানান, তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সাথে অনলাইনে গ্রুপচ্যাট করেছেন, এবং তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে কোথাও তার মৃত্যুর খবর দেখলে তারা যেন ঘাবড়ে না যায়।

শনিবার একটি ওয়েবসাইট তার মৃত্যুর গুজব ছড়ায়। ওই গুজব পরে ভাইরাল হয়ে যায়। যা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা।

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন কর্মসূচির প্রধান প্রফেসর অ্যান্ড্রু পোলার্ড – যিনি প্রথম মানবদেহে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন – বলেন, এই ধরণের গুজব এই প্যানডেমিক মোকাবেলায় চেষ্টায় সমস্যা তৈরি করবে। এমন গুজব ছড়াতে দেওয়া যায় না।

এলিসা গ্রানাতো ইউরোপে প্রথম ব্যাক্তি যার দেহে প্রথম পরীক্ষামুলকভাবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তাকে টিকা দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার বিকালে। এলিসার দেহে এন্টিবডি তৈরি হলেই সারাহ গিলবার্ট আবিষ্কৃত চ্যাডক্স -১৯ ভ্যাকসিনটি প্রবেশ করানো হবে।

  •