খাদ্য সংকট মোকাবিলায় একযোগে কাজ করবে ঢাকা-দিল্লি

5

সবুজ সিলেট ডেস্ক
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবিলায় খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে ঢাকা ও নয়া দিল্লী একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করলে দু’জনে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে নরেন্দ্র মোদি ফোন করেন শেখ হাসিনাকে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে তাকে ও বাংলাদেশের জনগণকে বাংলা নববর্ষ ও পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানান।

১২ মিনিটের টেলিফোন কথোপকথনে প্রতিবেশী দুই বন্ধুরাষ্ট্রের দুই নেতা করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের সরকারের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গৃহীত পদক্ষেপগুলো একে অন্যকে অবহিত করেন। প্রয়োজনে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও সম্মত হন দুই সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার আশঙ্কা, চলমান পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হতে পারে। কাজেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই অঞ্চলের সব দেশের একযোগে কাজ করতে হবে।

টেলিফোনে আলাপকালে দুই প্রধানমন্ত্রীই করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় উভয় দেশের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। এ বিষয়ে একযোগে কাজ করার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই প্রধানমন্ত্রীই করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে গত মাসে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সে কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে গৃহীত সার্কভুক্ত দেশগুলোর উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সম্মত হন।

শেখ হাসিনা এ সময় কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ওষুধ এবং অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোয় নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাও জানান, বলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব।

এর আগে, বুধবার বিকেলে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভানও টেলিফোন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এসময় সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, তার দেশের কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের পোশাক খাতের কারখানাগুলোকে দেওয়া অর্ডার বাতিল করবে না।

  •