বার্ষিক পরীক্ষা পিছিয়ে ফেব্রুয়ারিতে নেওয়ার চিন্তা!

9

সবুজ সিলেট ডেস্ক
দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বাড়ছে। প্রতি সপ্তাহে আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টাতেই নতুন করে ৮৮৭ জনের দেহে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে মারা গেছেন ১৪ জন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যার ফলে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দুটি বিকল্প পরিকল্পনার কথা ভাবছেন নীতিনির্ধারকরা। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চলতি বছরের শিক্ষাবর্ষকে আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হতে পারে।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, এ নিয়ে সংশ্লিষদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমরা চাই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি আগস্ট বা সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলে দেওয়া হয়, তাহলে চলতি শিক্ষাবর্ষকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করতে। ফেব্রুয়ারিতেই বার্ষিক পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পড়ে ও শিখে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত হতে পারবে। আর পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ ২০২১ সালের মার্চ থেকে শুরু করা হতে পারে। আগামী শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন ধরনের ছুটি কমিয়ে ১০ মাসে শিক্ষাবর্ষ শেষ করা হবে।

তবে বৈঠকে বিকল্প প্রস্তাবও এসেছে। সেখানে ২০২০ সালের মধ্যেই সব পরীক্ষা শেষ করার কথা বলা হয়েছে। এতে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা ও ঐচ্ছিক ছুটি কমানোর কথা বলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

  •