‘কিটের পরীক্ষা নিয়ে খবর সঠিকভাবে আসেনি’

27

সবুজ সিলেট ডেস্ক::
বিভিন্ন মিডিয়াতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র তাদের ‘জি আর কোভিড-১৯ রেপিড ডট ব্লট’ কিটের পরীক্ষা শুরু করবে বলে যে খবর বেরিয়েছে তা সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সোমবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক বিবৃতিতে এমন অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি) অনুমোদিত ‘জি আর কোভিড-১৯ রেপিড ডট ব্লট’ কিটের আভ্যন্তরীণ গুণগত মান পরীক্ষার (Internal Validation ) ক্লিনিকেল ট্রায়ালের অংশ হিসাবে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোভিড-১৯ এর লক্ষণ আছে এরকম ৫০ রোগীর কাছ থেকে বিএমআরসি অনুমোদিত নিয়মে, ‘আগে আসিলে আগে নেয়া হবে’ ভিত্তিতে লালা (Saliva) এবং রক্ত (Blood) উভয় বা যে কোন একটি নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এই নমুনা সংগ্রহ গবেষণার অংশ, কোন সেবা বা রোগ নির্ণয়ের অংশ নয় ।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ‘জি আর কোভিড ১৯ রেপিড ডট ব্লট কিট প্রকল্পের’ সমন্বয়কারী ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার এই বিবৃতি দিয়েছেন।
এর আগে খবরে বলা হয়েছে, সরকারের অনুমোদন না পেলেও নিজেদের উদ্ভাবিত ‘জি আর কোভিড-১৯ রেপিড ডট ব্লট’ কিট দিয়ে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা শুরু করবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। মঙ্গলবার থেকে দুটি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা শুরু হবে। যে কেউ এসে পরীক্ষা করাতে পারবে।
শনিবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বরাতে এমন খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অনুমোদন তো আমাদের আছেই। তারা তো আমাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছে। আমাদের হাসপাতালকেও অনুমোদন দিয়েছে। সেটার বলেই আমরা করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করছি।
গত ৩০ এপ্রিল ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) অথবা আইসিডিডিআরবিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেয়া হয়।
এরপর গত ২ মে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শাহীনা তাবাসসুমকে প্রধান করে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে এই কিট উদ্ভাবন করেছেন একদল বিজ্ঞানী। অন্য গবেষকরা হলেন– ড. ফিরোজ আহমেদ, ড. নিহাদ আদনান, ড. মো. রাইদ জমিরুদ্দিন ও ড. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।

  •