জগন্নাথপুরে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৯

16


জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৯ জনকে মঙ্গলবার (২৬ মে) সুনামগঞ্জ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, উপজেলা আশারকান্দি ইউনিয়নের মিলিক গ্রামে তখলিছ মিয়া (৫৮) এর সাথে তার চাচাতো ভাই ময়না মিয়ার জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলছিল। গত ২৩ মে সন্ধ্যার দিকে তখলিছ মিয়া হাওর থেকে গরু নিয়ে বাড়িতে আসার পথে ময়না মিয়ার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ময়না মিয়া ও তার ছেলে সায়েক মিয়াসহ আরও কয়েকজন মিলে তখলিছ মিয়াকে মারধর করে।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তখলিছ মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৫ মে) তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ময়না মিয়া (৫০) ও তার ছেলে সায়েক মিয়া (২২) কে আটক করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

অপরদিকে সোমবার (২৫ মে) ঈদের জামাত শেষে কুবাজপুর দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম নাজমুল ইসলামকে মসজিদে রাখা না রাখা নিয়ে গ্রামের আরাফাত মিয়া ও সুহেল মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। আরাফাত মিয়া ইমাম নাজমুল ইসলামকে মসজিদে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন এবং সুহেল মিয়া ইমামকে মসজিদে না রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। এ নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হন।

এরমধ্যে দুজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপর আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১৭ জনকে আটক করে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) কারাগারে পাঠিয়েছে।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, জগন্নাথপুরে পৃথক দুইটি সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৯ জনকে সুনামগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।।।

  •