কমলগঞ্জে দলই চা বাগান চালুর দাবিতে কর্মসূচীর দ্বিতীয় দিনেও অবস্থানে শ্রমিকরা

8

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই চা বাগান চালুর দাবিতে কর্মসূচীর দ্বিতীয় দিনেও অবস্থানে শ্রমিকরা। বুধবার(২৯ জুলাই) সকাল ৮ টা থেকে চা বাগানের অফিসের সম্মুখে এ অবস্থান কর্মসূচী ও পদ্মছড়া চা বাগানে মানববন্ধন পালন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী ব্যক্তি মালিকানাধীন দলই চা বাগান কর্তৃপক্ষ আকষ্মিকভাবে বাগান বন্ধ ঘোষনা করায় বিপাকে পড়েছেন বাগানের প্রায় ৬শ’ চা শ্রমিকসহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার চা জনগোষ্টি। একদিন পরেই ঈদুল আজহা হলেও মালিক পক্ষের বেআইনী পদক্ষেপের কারণে মুসলিম শ্রমিকরা ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন।

চা বাগান খুলে দেয়ার দাবিতে ও মজুরি প্রদানের জন্য দলই চা বাগান অফিসের সম্মুখে শ্রমিকরা অবস্থান কর্মসূচী পালন করে ও পদ্মছড়া চা বাগানে মানববন্ধন পালন করেছে। দলই চা বাগান কোম্পানীর উপ-মহা ব্যবস্থাপক এম এম ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিসের বোর্ডে টাঙানো নোটিশে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য চা বাগান সম্পূর্ণ (লক আউট) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য ঃ গত সোমবার সন্ধ্যায় আকষ্মিকভাবে চা বাগান কর্র্তপক্ষ কারখানার অফিসে নোটিশ টাঙিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য দলই চা বাগান বন্ধ (লক আউট) ঘোষণা করে। আকষ্মিকভাবে চা বাগান বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। চা বাগান চালু করার জন্য বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন ও ট্রেড ইউনিয়ন সংঘসহ বিভিন্ন সংগঠন জোর দাবি জানিয়েছে। তবে চা বাগান কর্তৃপক্ষ কতিপয় শ্রমিক কর্মচারীর উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ইন্ধনে বাগানের স্বাভাবিক কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে বলে দাবি করছে।

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজত বিশ্বাস বলেন, কোন রকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই করোনাকালীন সময়ে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ না করেই দলই চা বাগান কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে শ্রম আইন লঙ্ঘন করে বাগান বন্ধের নোটিশ প্রদান করে।

দলই চা বন্ধ বিষয়ে বাগানের প্রধান ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম জানান, চা বাগানের কতিপয় শ্রমিকদের উচ্ছৃঙ্খল আচরনে বাগান বন্ধ করতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, আজ বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় আমার অফিসে এ বিষয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে বিষয়ের সমাধা হবে এবং বাগান চালু হবে।

উল্লেখ্য ঃ গত সোমবার সন্ধ্যায় আকষ্মিকভাবে চা বাগান কর্র্তপক্ষ কারখানার অফিসে নোটিশ টাঙিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য দলই চা বাগান বন্ধ (লক আউট) ঘোষণা করে। আকষ্মিকভাবে চা বাগান বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। চা বাগান চালু করার জন্য বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন ও ট্রেড ইউনিয়ন সংঘসহ বিভিন্ন সংগঠন জোর দাবি জানিয়েছে। তবে চা বাগান কর্তৃপক্ষ কতিপয় শ্রমিক কর্মচারীর উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ইন্ধনে বাগানের স্বাভাবিক কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে বলে দাবি করছে।

  •