গোয়াবাড়ি ওয়াকওয়ে যেন মরণফাঁদ : ৭০ ভাগ কাজ এখানো বাকী

250

রাধে মল্লিক তপন ::
সিলেট নগরীর সৌন্দর্য্যবর্ধনে সিলেট সিটি করপোরেশনের অধীনে তারাপুর চা-বাগান সংলগ্ন গোয়াবাড়ি এলাকায় তৈরি করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে। যা দেখতে প্রতিনিয়ত সিলেট নগরী ও নগরীর বাহিরের বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে ভিড় জমাচ্ছেন হাজারো পর্যটক ও প্রকৃতি প্রেমীরা। ওয়াকওয়েটির ৩০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করেই উš§ুক্ত করে দেওয়া হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। এর ফলে ওয়াকওয়েটিতে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে ওয়াকওয়ের প্রবেশ ও বির্হিগমন পথে রয়েছে অপরিকল্পিতভাবে রাখা হয়েছে বড় বড় রড ও বাঁশ।

সরজমিনে গোয়াবাড়ি ওয়াকওয়েতে গিয়ে দেখা যায় পর্যটক প্রকৃতিপ্রেমিদের উপচেপড়া ভিড়। ওয়াকওয়ের প্রবেশপথে পর্যটকরা জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। গোয়াবাড়ি ওয়াকওয়েতে আসা পর্যটক লিডিং ইউনির্ভারসিটির ছাত্রী সাদিয়া জান্নাত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন প্রকৃতির টানে ঈদের ছুটিতে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম প্রবেশপথ দিয়ে পারাপারের সময় ভয়াভহ দূর্ঘটনা থেকে আল্লাহ রক্ষা করেছেন। তিনি আরো বলেন পুরোপুরি কাজ শেষ না হওয়ার আগেই কীভাবে কর্তৃপক্ষ এটি খুলে দিলেন।

নগরীর শিবগঞ্জ থেকে স্বপরিবারে ঘুরতে নাইম ইসলাম বলেন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকতেই হঠাৎ লোহার রডে পা আটকে গিয়েছিলো অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছি। এরকম একটি স্থানে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীন কাজ মেনে নেওয়া যায় না। তারা কীভাবে প্রবেশপথের কাজ শেষ হওয়ার আগেই এটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিল। আশা করব কর্তৃপক্ষ অচিরেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

্এব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ বলেন গোয়াবাড়ির ওয়াকওয়ের মাত্র ৩০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখনো ৭০ ভাগ বাকি রয়েছে কাজ শেষ হলে উদ্বোধনের মাধ্যেমে এটি খুলে দেওয়া হবে। দর্শনার্থীরা জোরপূর্বক ওয়াকওয়েতে ভিড় জমাচ্ছেন বলে তিনি বলেন আমার মেয়র সাহেবের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামীকাল আমাদের মেয়র সাহেবকে সঙ্গে নিয়ে নিষেধাজ্ঞার সাইবোর্ড সাটিয়ে দেব। তবে যারা আসবেন তারা যেন স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আসেন।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীরর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

  •