যুবকরা আমাদের হার্ট অব সিস্টেম: পরিকল্পনামন্ত্রী

18

সবুজ সিলেট ডেস্ক ::
১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস। এবছরের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের অংশগ্রহণ’। যুবকদের নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার বিষয় ঢাকাটাইসের সঙ্গে কথা বলেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, যুবকরা হলো আমাদের হার্ট অব সিসটেম। তারাই আসল উৎপাদনের কর্মী। তাদের উপর সরকার সবসময় নজর দিতে বাধ্য। বিপথগামী না হয়ে যুবসমাজ যেন দেশের সম্পদ হয়ে ওঠেন তার জন্য সরকার কাজ করছে, সাধ্য মতো ব্যয় করছে বলে জানালেন মন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘যুবকদের নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা আছে। পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আছে, প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় আছে। এসডিজিতে যুবকদের নিয়ে আছে বিশ্বব্যাপী প্লান। প্রতিটাতে যুবকদের জন্য সরকারের প্রতিশ্রতি আছে, পরিকল্পনা আছে কারণ যুবকরা আমাদের মানব সমাজের একদম কেন্দ্রে। তারাই হলো হার্ট অব সিসটেম।’

যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘শিশুদের উপর অবশ্যই নজর দিতে হবে। কিন্তু দেশের উন্নয়নে প্রোডাকটিভ উৎপাদনের দিকে যদি আপনি তাকান। তাহলে যুবকরাই হলো আসল উৎপাদনের কর্মী। এ জন্য তাদের উপর সরকার সব সমময় নজর দিতে বাধ্য।’

যুব ও ক্রিয়া মন্ত্রণালয়ের কাজের বিষয় তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা কাজ করছে। এটাতে নানা ধরনের পরিকল্পনা আছে। যুবকদের টেকনিকাল অ্যাডুকেশন দেয়। তাদেকে শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হিসেবে গতে তুলতে কাজ করছে।বিশেষ করে আইটি ক্ষেত্রে যুবকদের সামনে নিয়ে আসার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা আছে।’

সরকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে আইসিটি ট্রেনিংসহ বিভিন্ন ট্রেনিং দিচ্ছে জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের যুবকদের প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেপ) প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। জেলা ভিক্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা ভিত্তিক টেকনিক্যাল স্কুল খুলছে সরকার। আরও খোলা হবে। সারা দেশে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বেশ কয়েকটি ট্রেনিং সেন্টার আছে। যেখানে যুবকদের নানা ধরনের ভোকেশনাল ট্রেনিং দেয়া হয়। এ ছাড়া হাঁস-মুরগি পালন, শাক -সবজি চাষ, মৎস্যচাষ, ইলেট্রিকালসহ কাঠের ও লোহার বিভিন্ন ধরনের কাজ শেখায় সরকার। তবে এটা যথেষ্ট নয়। আরও অনেক বেশি করা দরকার।’

মন্ত্রী বলেন, শুধু আমাদের দেশে না, সব দেশেই যুবকরাই বিভিন্ন আন্দোলন আগে থাকে। তারা যেন পথভ্রষ্ট না হয় সে বিষয় সরকার খেয়াল রাখছে। যুবকদের খেলাধুলা, মনোরঞ্জন ক্রিয়া এসবের জন্য সরকার ব্যয় করছে। যদিও সরকারের টাকার অভাব আছে। যত প্রয়োজন তত ব্যয় করতে পারে না।