আমিরাত-ইসরায়েলের টেলিফোন যোগাযোগ চালু

9

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে গত সপ্তাহে সম্মত হওয়ার পর ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সরাসরি টেলিফোন সেবা চালু করেছে। এর ফলে এখন থেকে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন করা যাবে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ঐতিহাসিক চুক্তি’র পরে পরস্পর টেলিফোন করেছেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন’।

আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন যায়িদ আল-নাহিয়ানকে টেলিফোনের পর ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গাবী আশকেনাজি রবিবার টুইট বার্তায় লিখেছেন, দুই পক্ষই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি স্বাক্ষরের আগে উভয় পক্ষই সরাসরি টেলিফোন যোগাযোগ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইসরায়েলের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের টেলিফোন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ইসরায়েলের টেলিফোন কোড উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

ইসরায়েলের যোগাযোগ মন্ত্রী ইয়োয়াজ হেন্ডেল বলছেন, ‘(টেলিফোন কোড) উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে স্বাগত জানাই। অনেক অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং দুই দেশের স্বার্থ রক্ষায় এটি আস্থা তৈরি করার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওই চুক্তির বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে কোন আরব দেশের তৃতীয় শান্তি চুক্তি। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দখলকৃত পশ্চিম তীরে বিতর্কিত বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল।

এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তুরস্ক, ইরানসহ বেশ কয়েকটি দেশ। ফিলিস্তিন এই চুক্তিকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করেছে। চুক্তির পর টুইট বার্তায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু একে ‘এক ঐতিহাসিক দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অপরদিকে এই সরাসরি সম্পর্ক পুরো অঞ্চলকে বদলে দেবে বলে দাবি আমিরাতের।

আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটনে দুই পক্ষ চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম হলো এক দেশ আরেক দেশে দূতাবাস চালু করবে।

  •