ইসরায়েল-আমিরাতের ‘ঐতিহাসিক মিলন’ ঘটালেন ট্রাম্প

8

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সপ্তাহে এক ঘোষণায় বলেন, আমিরাতের কাছে যুদ্ধবিমানএফ-৩৫ বিক্রয় করার ব্যাপারে একটা চুক্তি হওয়ার বিষয়টা পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আভাস দেয়া হয়, আগামী ৬ মাসের মধ্যে একটা চুক্তিও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানটির খদ্দের জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইসরায়েলের মতো মিত্ররাই। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমান বিক্রয়ের সিদ্ধান্তটা তাদের মিত্র ইসরায়েলের স্বার্থের দিকে লক্ষ রেখেই নিতে হয়। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে সমরশক্তিতে সবার ওপর রাখাটাই যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

যুক্তরাষ্ট্রের অক্সিওস নিউজ ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আমিরাতের একটা নির্ধারিত বৈঠক হওয়ার কথা। কিন্তু আবুধাবি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি হতে পারে, এমনটা জেনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তার আপত্তির কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেন। এর জেরে আমিরাত শুক্রবারের ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ না দেয়ার বিষয়টা জানিয়ে দিয়েছে।

তারা বলেছে, আমিরাত মনে করে, তাদের কাছে এফ-৩৫ বিক্রিতে আপত্তি জানিয়ে ইসরায়েল তাদের সঙ্গে ইসরোয়েলে ‘ঐতিহাসিক’ চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। এটা ইসরায়েলের দ্বিমুখী আচরণের বহিঃপ্রকাশ।

আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে যতগুলো বিষয় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে, তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এফ-৩৫ বিমান কেনার ব্যাপারটাও রয়েছে। কিন্তু ইসরায়েল তাদের আপত্তি দ্বারা এটাই বোঝাচ্ছে যে, তাদের মুখের কথার সঙ্গে মনের ভাবের কোনো মিল নেই।

  •