অবশেষে চারলেন হবে বিমানবন্দর-বাদাঘাট সড়ক

2


স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বিমানবন্দর-বাদাঘাট বাইপাস চারলেন করা হবে। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেনকে এ কথা জানিয়েছেন। মন্ত্রীর এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিমানবন্দর বাদাঘাট বাইপাস সড়কটি নিয়ে জটিলতার অবসান হলো ।

১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেনকে এ তথ্য জানান।

সভায় মন্ত্রী বলেন, বিমান বন্দর বাইবাস সড়ক চার লেনে উন্নীতকরনের জন্য ২০১০ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত উদ্যোগ নেন। তারপর বিভিন্ন কারণে সেটি থেমে যায়। তিনি বিমান বন্দর বাইবাস সড়ক চার লেন হচ্ছে জানিয়ে বলেন এটি আমাদের জন্য একটি সুখবর।

প্রসঙ্গত, সিলেটের কুমারগাঁও-বাদাঘাট-বিমানবন্দর বাইপাস সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার। ২০১০ সালের ৪ আগস্ট এ সড়কটির নির্মাণকাজের সূচনা হয় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সাংসদ আবুল মাল আব্দুল মুহিতের হাত ধরে। কিন্তু পরিপূর্ণ হয়নি সড়কের কাজ। ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ পূর্ণাঙ্গ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ের পর ২০১৪ সালে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

পাথরবাহী ট্রাকের চলাচল, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ও তাদের স্বজনদের আসা-যাওয়া, পর্যটকবাহী যানবাহনের জন্য সহজ যাতায়াত সুবিধা এবং বাদাঘাট এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের দিক বিবেচনা করে ওই বাইপাস সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার দাবি ওঠে। সিলেটের বিভিন্ন মহল থেকে ওঠা দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেট থেকে চার লেনের একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়।সিলেটের কুমারগাঁও-বাদাঘাট-বিমানবন্দর বাইপাস সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার।

২০১০ সালের ৪ আগস্ট এ সড়কটির নির্মাণকাজের সূচনা হয় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সাংসদ আবুল মাল আব্দুল মুহিতের হাত ধরে। কিন্তু পরিপূর্ণ হয়নি সড়কের কাজ। ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ পূর্ণাঙ্গ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ের পর ২০১৪ সালে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

পাথরবাহী ট্রাকের চলাচল, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ও তাদের স্বজনদের আসা-যাওয়া, পর্যটকবাহী যানবাহনের জন্য সহজ যাতায়াত সুবিধা এবং বাদাঘাট এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের দিক বিবেচনা করে ওই বাইপাস সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার দাবি ওঠে। সিলেটের বিভিন্ন মহল থেকে ওঠা দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেট থেকে চার লেনের একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়।

সবুজ সিলেট/ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০/এআ