সিলেটে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: সহযোগীসহ ছাত্রলীগ নেতা রাজন আটক

80

 

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি :: সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার রাজন নামের আরেক আসমিকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কচুয়া নয়াটিলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় রাজনকে সহযোগিতায় করায় আইনুল নামের আরেক ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব ও ডিবি সূত্রে জানায়, সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার রাজন নামের আরেক আসমিকে ফেঞ্জুগঞ্জ উপজেলার কচুয়া নয়াটিলা এলাকা তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপনে রয়েছেন; এমন খবরে অভিযান চালানো হয়। পরে রাত ১টার দিকে রাজন ও তার সহযোগি আইনুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারেরে পর তাকে সিলেট নিয়ে আসা হয়েছে। রাজন ওই মামলার অজ্ঞাত আসামি ছিলেন বলে জানা গেছে।

এর আগে ওই মামলার আরেক আসামি মাহবুবুর রহমান রনিকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাবের একটি দল। অন্যদিকে নবীগঞ্জ উপজেলা থেকে রবিউলকে গ্রেফতার করে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ। এছাড়া রবিবার সকালে সিলেট বিভাগের পৃথক দুই স্থান থেকে মামলার প্রধান আসামী সাইফুর রহমান এবং অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদি হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলা ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুমকে (২৫)।

 

 

 

সবুজ সিলেট/ ২৮ সেপ্টেম্বর/ এহিয়া আহমদ