এমসি’র ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: তিন ধর্ষকের রিমান্ড, র‌্যাব থেকে পুলিশে তিন

11

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেধে স্ত্রীকে দলবেধে ধর্ষণের ঘটনার প্রধান আসামী সাইফুর রহমান, অর্জুন পুরকায়স্ত ও রবিউল ইসলামে কে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার ওসি তদন্ত ইন্দ্রনীল ভট্রাচায সিলেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দুই এর বিচারক সাইফুর রহমানের আদালতে প্রথমে প্রধান আসামী সাইফুর ও অর্জূন কে তুলে ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। এ সময় আদালত ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর বিকেলে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চার নম্বর আসামী রবিউল ইসলাম কে একই আদালতে তুলে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সিলেট মহানগর পুলিশের সহকারি কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমুল্য কুমার চৌধুরী বলেন, তিন জন আসামীকেই ৭ দিনের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিলো। কিন্তু আদালত তাদের প্রত্যেকের ৫ দিন কওে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মহানগর হাকিম আদালতের এপিপি এডভোকেট খোকন কুমার দত্ত বলেন, আসামীদের পক্ষে কোন আইনজীবি আদালতে ছিলেন না। ফলে তাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন বিচারক। এসময় প্রত্যেক আসামী তাদের নির্দোষ দাবি করেন। বিচারক পুলিশ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবির বক্তব্য শুনে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে আলোচিত এই ধর্ষনের ঘটনার প্রধান আসামি সাইফুর, অর্জুন ও রবিউলকে রোববার গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ। ছাতক থেকে সাইফুরকে প্রথমে গ্রেফতার করে ছাতক থানা পুলিশ। ছাতক সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়া প্রাক্কালে খেয়া নৌকা দিয়ে সুরমা নদী পাড়ি দেওয়ার সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে এসআই হাবিব তাকে গ্রেফতার করেন। এছাড়া মামলার অন্যতম আসামী র্অজুন পুরকায়স্থ থেকে হবিগঞ্জের মাধবুপর থেকে এবং রবিউল ইসলাম কে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

এদিকে রবিবার রাতে হবিগঞ্জ থেকে রনি ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে মামলার অজ্ঞাত আসামী রাজন ও তার সহযোগি আইনুলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব । সোমবার বিকেলে তাদেরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

সবুজ সিলেট/ ২৮ সেপ্টেম্বর/ এহিয়া আহমদ