আজমিরীগঞ্জে ‘ধর্ষণ’, একজন গ্রেপ্তার

7

স্টাফ রিপোর্টার :: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নে তিন সন্তানের জননীকে রাতভর আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে একই এলাকার ৫ সন্তানের জনক তাজুল ইসলামকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে আজমিরীগঞ্জ থানার পুলিশ। আটক তাজুল ইসলাম জলসুখার শঙ্খমহল গ্রামের মৃত আলী হোসেনের পুত্র।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গভীর রাতে ওই নারী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে পূর্ব থেকে ওর পেতে থাকা তাজুল ইসলাম তার মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে স্থানীয় কেজিপি উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিমপাশের দেয়াল সংলগ্ন একটি স্থানে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে রাতভর ধর্ষণ করেন। পরদিন সকালে তাজুল ইসলাম ওই নারীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নারীর পিত্রালয় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শ্যামারচর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে পাঠিয়ে দেন।

গত শনিবার সকাল থেকে নারীর স্বামী বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর একসময় শ্বশুরবাডড়িতে খোঁজ নিয়ে স্ত্রীর সন্ধান পান। পরে ওই নারীর স্বামী তাকে আনতে তার পিত্রালয়ে গেলে তিনি স্বামীর কাছে নির্যাতনের বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলেন। এরপর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে সোমবার রাত আনুমানিক ১টায় আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হেসেন তরফদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাজুল ইসলামকে জলসুখা থেকে আটক করে।

আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি মোশারফ হেসেন তরফদার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছি এবং ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।