লতিফিয়া ইমাম সোসাইটি দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন

4

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা লতিফিয়া ইমাম সোসাইটির কাউন্সিল ও অভিষেক অনুষ্ঠান গতকাল ৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিলাম ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার হল রুমে সম্পন্ন হয়েছে।
সোসাইটির দক্ষিণ সুরমা শাখার আহবায়ক মাওলানা আব্দুল মালিক এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাওলানা ইউনুছ আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লতিফিয়া ইমাম সোসাইটি কেন্দ্রীয় পরিষদের আহবায়ক মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।

লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটি দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার সহসভাপতি মাওলানা কামাল আহমদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে সূচিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জালালপুর জালালিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জউম আব্দুল মুনঈম মন্জলালী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, চকরবাজার মাদরাসার সুপার মাওলানা আব্দুল বারী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আল ইসলাহর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জয়নাল আবেদীন, সিলেট জেলা আল ইসলাহর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফয়জুল আলম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইয়াকুবিয়া হিফজুল কোরআন বোর্ডের দক্ষিণ সুরমার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুস শহীদ, মাওলানা মন্জুর আহমদ, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা সামসুজ্জামান (বাঙী), মাওলানা আব্দুল লতিফ, মাওলানা আব্দুল কাশিম, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মাওলানা নুরুল হুদা শামীম, মাওলানা আব্দুস সালাম, মাওলানা আব্দুল গণি, মাওলানা এম এ রহিম প্রমূখ।
দ্বিতীয় পর্বে কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে মাওলানা জউম আব্দুল মুনঈম মন্জলালীকে সভাপতি, মাওলানা ইউনুছ আলীকে সাধারণ সম্পাদক ও মাওলানা শহিদুল হককে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট ২০২১-২২ সালের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা লতিফিয়া ইমাম সোসাইটির কমিটি গঠন করা হয়।
পরে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী। দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।

অনুষ্ঠানে লতিফিয়া ইমাম সোসাইটি দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ও ১০ ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী বলেন ইসলামের দৃষ্টিতে ইমামতি একটি মহান দায়িত্ব। এটি সুন্দর ও সম্মানজনক পেশা। মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) নিজে ইমামতি করেছেন। সাহাবিরাও এই মহান দায়িত্ব পালন করেছেন। ফজর থেকে এশা পাঁচ ওয়াক্ত সঠিক সময়ের মধ্যে নামাজ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের ইমাম। আর এ প্রতিটি নামাজের আগেই সময় মেনে আযান ও ইক্বামত দেন মুয়াজ্জিন। খুব বেশি শারিরীক অসুস্থতা না থাকলে ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিক‚ল আবহাওয়ার মধ্যেই এ দুই পদে নিয়োজিত ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করে চলেন নিয়মিত।

বিজ্ঞপ্তি

সবুজ সিলেট/০৩ ডিসেম্বর/সেলিম হাসান

  •