যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিটি কলেজে পড়ার জন্য আবেদন গ্রহণ

9

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক::
যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিটি কলেজে পড়াশোনার জন্য আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নরত প্রথমবর্ষ থেকে তৃতীয়বর্ষের শিক্ষার্থীরা এক শিক্ষাবর্ষের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে থাকার জন্য কোনও একটি আমেরিকান কমিউনিটি কলেজে পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। ২০১৩ সাল থেকে প্রায় ৫৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

কমিউনিটি কলেজ ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীনে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপী কমিউনিটি কলেজগুলোয় ফলিত প্রকৌশল, কৃষি, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসন, প্রারম্ভিক শিশু শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি, মিডিয়া/গণমাধ্যম, জন-নিরাপত্তা, এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন।

দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এই আবেদন করার শেষ তারিখ আগামী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের সামর্থ্য ও ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আমেরিকান সংস্কৃতি সম্পর্কে তাদের ধারণা ও বোঝাপড়া আরও স্বচ্ছ ও গভীর করা। শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ্য বিষয় বহির্ভূত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্থানীয় কমিউনিটির একজন সদস্য হিসেবে কমিউনিটির বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম ও স্বেচ্ছাসেবামূলক প্রকল্পগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে। এই কর্মসূচির শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অর্জিত তাদের নতুন দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অবদান রাখবে।

সিসিআই কর্মসূচিতে আবেদনের জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের/প্রার্থীদেও যে যোগ্যতাসমূহ থাকতে হবে সেগুলো হচ্ছে:

বাংলাদেশি নাগরিক এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই কিংবা যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যকোনও দেশের স্থায়ী বাসিন্দা নন; বয়স কমপক্ষে ১ ৮ বছর; পাসপোর্টের মেয়াদ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে; এইচএসসি/এ-লেভেল উত্তীর্ণ হতে হবে কিংবা বর্তমানে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হতে হবে; ইংরেজি ভাষায় বলতে ও লিখতে পারদর্শিতা থাকতে হবে এবং আইবিটি টোফেল স্কোর কমপক্ষে ৬৫-৭১ হতে হবে কিংবা আইইএলটিএস স্কোর ৬.০ হতে হবে। এইচএসসি/এ-লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে গড়ে বি+ থাকতে হবে এবং কোনও বিষয়ে ফেল থাকা যাবে না। কর্মসূচি শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে এবং জে ক্যাটাগরি ভিসার শর্তপূরণ করার জন্য দু’বছর নিজ দেশে অবস্থান করতে হবে। এছাড়া ২০২১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া একাডেমিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি থাকতে হবে।

সবুজ সিলেট/০৭ ডিসেম্বর/শামছুন নাহার রিমু