এই শীতে টিনএজারদের ডায়েট

5

লাইফ স্টাইল ডেস্ক :: প্রকৃতিতে জেঁকে বসেছে শীত। আবার করোনার ধকলও সামাল দিতে হচ্ছে। শঙ্কা-ঝুঁকি ভর করেছে কিশোর-কিশোরীদের মনে। এই বয়সে একটু ঘোরাফেরা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা ও উল্লাস করতে কে না চায়। কিন্তু মহামারীর কারণে বাইরে বেরোতে মানা। এসব কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ মন।

এ সময় টিনএজারসহ সব বয়সী মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি খাবারের প্রতিও যত্নশীল হতে হবে। সুস্থ থাকতে ডায়েট চার্টে পুষ্টি ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

করোনাকালে টিনএজারদের ডায়েট চার্টে কী থাকবে কী থাকবে না সে সম্পর্কে আসুন জেনে নিই-

১. রোজ সকালে একটা ডিম ও রাতে ঘুমানোর আগে দুধ পান করা উচিত। এতে শীরে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

২. শীতের এ সময়ে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর শাকসবজি। শীতকালের সবজি ও ফলের স্বাদ এবং পুষ্টি থাকে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘ই’ এর ঘাটতি পূরণে খেতে হবে বেশিরভাগ শীতকালীন শাকসবজি।

৩. সকালের নাস্তার খেজুর বা মিষ্টিজাতীয় ফল খাওয়া যেতে পারে। কারণ এতে বিদ্যমান সুক্রোজ পানির সঙ্গে মিশে তাৎক্ষণিক প্রাণশক্তি দেয়। টিনএজারদের ডায়েটে তাই সকালের নাস্তায় প্যাকেটজাত জুসের পরিবর্তে মৌসুমি ফলের জুস বা দই-চিড়া-কলার শরবত রাখা দরকার। এতে হজম ক্ষমতা বাড়বে।

৪. শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিবডি বাড়ানোর জন্য ভিটামিন ‘সি’ যুক্ত মৌসুমি ফল যেমন আনারস, পাকা পেঁপে, বেলের শরবত, টমেটো, লেবু প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় যোগ করতে হবে।

৫. এ সময় হার্বাল চা বা গ্রিন টি খেলে ভালো। এতে শরীরে সর্দি-কাশিজনিত সমস্যা কম হবে।

৬. জিঙ্কের চাহিদা পূরণের জন্য ডিমের কুসুম, বাদাম, শক্ত আবরণযুক্ত মাছ এবং দুধের তৈরি খাবারে জোর দিতে হবে।

৭. দুপুর বা রাতের খাবারে আমিষ বেশি রাখতে হবে। পাশাপাশি সহজে হজমযোগ্য খাবার যেমন ভাত, দই, ডাল রাখতে হবে। ভাতের সঙ্গে মুরগি, ডিম, ডাল যেন থাকে।

যা খাবেন না

অতিরিক্ত তেল, মসলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো। মানসিক শান্তির জন্য দিনে হালকা ব্যায়ামের একটা রুটিনও করে ফেলতে হবে।

লেখক: নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালট্যান্ট, জেবি ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, খুলনা।