সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রীর সাধারণ ডায়েরি (জিডি)

13

বিনোদন ডেস্ক :: অনুমতি ছাড়া ছেলে আরশ রহমানের খাতনা করায় ছোট পর্দার অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার সাবেক স্ত্রী মডেল মারিয়া মিম। শনিবার দিবাগত রাতে গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।

গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশের পর অভিনেতা সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সমকালকে তিনি বলেন, খতনা করানো ইসলাম ধর্মের একটা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। বাবা হিসেবে ছেলের সুন্নতে খতনা করানো আমার দায়িত্ব। এই সুন্নত পালনের জন্য যদি আমার জেল, ফাঁস হয় হোক। কোন আপত্তি থাকবে না।

সিদ্দিক ও মিমের মধ্যে ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবরে বিবাহ বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এরপরে সন্তান আরশ রহমান মা ও বাবার কাছে আদালতের নিয়মেই থাকছিল। ছেলের সুন্নতে খতনা করার বিষয়ে মা মারিয়া মিমকে বেশ কয়েকবার জানানো হয়েছে। বিষয়টির জন্য বারবার ফোন দেয়া হয়েছে তাকে। কিন্তু মিম আসেনি। সে দুবাইতে বুর্জ খলিফায় সময় কাটাচ্ছেন। দাবি করে সিদ্দিক।

পারিবারিক এই বিষগুলো প্রকাশ্যে আনার কি দরকার। জানতে চাইলে সিদ্দিক বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি তো কিছু জানায়নি। মিডিয়ার বড় নায়িকা হওয়ার জন্য আমার সংসার ছেড়ে মিম চলে গেছে। বিচ্ছেদের পর হয়তো তার স্বপ্ন সফল হচ্ছে না দেখে আবার পরিবারিক বিষয়গুলো সামনে এনে আলোচনায় আসতে চাইছে সে। কিন্তু সে মা হয়েও ছেলেটার সম্মান নিয়ে একবারও ভাবলো না। ছেলের এসব বিষয়ে কখনও সামনে আনে?’

যেহেতু মিম মিডিয়ায় সফল হতে পারছেন না। এখন যদি আবার ফিরে আসতে চান, ছেলে আরশের জন্য সংসার করতে চান, করবেন? সিদ্দিককে এমন প্রশ্ন করলে একবাক্যে বলে দেন ‘না’। সিদ্দিকন বলেন, সে ফিরে আসলেও আর আমার পক্ষে তাকে গ্রহণ করা সম্ভব না। আমি বিয়ের জন্য ভালো একজন সংসারি পাত্রী খুঁজছি। যে আমার সংসাটা আগলে রাখবে। আমার সন্তানকে ভালোবাসবে।

গণমাধ্যমে খবর এসেছে বাবার তিনটি শর্ত পূরণের জন্য অভিনয় ছাড়ছেন সিদ্দিক। বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি ব্যখ্যা করেন এ অভিনেতা। বলেন, ‘ছেলের প্রতিটি বাবারই কোন কোন অসিয়ত থাকে। আমার বাবার যে ওসিয়ত করে গেছেন। তা রাখা আমার জন্য দায়িত্ব। পাশাপাশি শিল্পী হিসেবে শেষ বয়সে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য নিয়ে বেচে থাকার ইচ্ছেও নেই। একজন অভিনেতা হিসেবে সম্মান ও অর্থ উভয় পেয়েছি আমি। তাই সম্মান থাকতেই অভিনয় থেক বিদায় নিতে চাই। ব্যবসায় মনোযোগ হতে চাই। তবে সেটা এখনই নয়। অভিনেতা সিদ্দিকের বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো আমাকে শেষ করতে হবে। শেষ করেই অভিনয় ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা ও এলাকার নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত হবো।’