পৌর নির্বাচন : বড়লেখায় কে হাসছেন শেষ হাসি?

12

সবুজ সিলেট ডেস্ক

রাত পোহালেই মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়ে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ইতোমধ্যে মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। নির্বাচনে মেয়র পদে তিন জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বড়লেখা পৌরসভায় মোট নয়টি ওয়ার্ড রয়েছে। এর মধ্যে একটি (৬ নম্বর) ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আলী আহমদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে বাকি আটটি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৬ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে মাঠে নেমেছেন।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে আজ ২৮ ডিসেম্বর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে বড়লেখা পৌরসভার ভোট গ্রহণ হচ্ছে। বড়লেখা পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১৫ হাজার ৪৪৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৫২৩ জন ও মহিলা ভোটার হলেন ৭ হাজার ৯২০ জন। নয়টি সাধারণ ও তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ভোট গ্রহণের জন্যে ১০টি ভোটকেন্দ্র এবং ৪৩টি ভোটকক্ষ রয়েছে।

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম(ধানের শীষ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইদুল ইসলাম (মোবাইল ফোন)।

মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে হাসছেন শেষ হাসি তা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে চলছে নানা হিসেবে-নিকেশ। ভোটাররা বলেছেন, যে পৌর এলাকার উন্নয়নে কাজ করবে তারা তাকেই পৌর মেয়র হিসেবে বেছে নেবেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী বলেন, গত ৫ বছরে পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যার সুফল পৌরবাসী ভোগ করছেন। এখনও অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মানুষ আবার নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। পুনরায় নির্বাচিত হলে বড়লেখাকে একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে রূপান্তিরত করবো।

বিএনপি প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভোটের পরিবেশ এখনও ভালো রয়েছে। এখন যদি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে আমি জয়ী হবো বলে আশাবাদী।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, মোবাইলের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে মানুষজন আমার জন্য কাজ করছেন। আমি প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ মানুষ খুবই উচ্ছ্বসিত। আমি নির্বাচিত হলে বড়লেখা পৌরসভার যত সমস্যা আছে সেগুলো দ্রুত সমাধানের পাশাপাশি বড়লেখাকে একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রির্টার্নিং কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনের দিন ১০টি ভোটকেন্দ্রে ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দুই প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও মাঠে র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সবুজ সিলেট/ হাসান

  •