মাধ্যমিকে থাকছে না রোল নম্বর

3

ডেস্ক রিপোর্ট
২০২১ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শ্রেণির রোল নম্বর থাকছে না। এর পরিবর্তে সবাইকে একটি করে ইউনিক আইডি নম্বর দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বই উৎসব নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণের পর আগের রোল নম্বরই দেওয়া হবে এবার। আর ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস’ (সিআরভিএস) বাস্তবায়নের পর প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই ইউনিক আইডি দেওয়া হবে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়ার স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে সব শিক্ষার্থীকে পরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনা মোতাবেক নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে। ইতোমধ্যে শিক্ষাবোর্ডগুলো জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের কাজও সম্পন্ন করেছে। বোর্ডগুলো সকল শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ সদন দেবে, কিন্তু কোনও নম্বরপত্র দেওয়া হবে না।’
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে, অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে কিছুটা মূল্যায়ন করেছি, সে মূল্যায়নপত্রও আমরা সংগ্রহ করবো। কিন্তু আমরা কোনও নম্বরপত্র এবার দিচ্ছি না, এ কারণে জেএসসি-জেডিসির সনদপত্রে জিপিএ উল্লেখ থাকবে না।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এবার সবাই পাস করবে। এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবেন না। করোনার কারণে এবার বিশেষ পরিস্থিতিতে ফলাফল দেওয়া হচ্ছে। ফলাফল নিয়ে যদি কোনও শিক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হন তাহলে তিনি নিজ শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করতে পারবেন। তবে আশা করছি রেজাল্ট নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবেন না।’
প্রাথমিকের রোল নম্বর বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানান, ‘শিক্ষার্থীদের যে রোল নম্বর রয়েছে সেই রোল নম্বরেই ভর্তি হবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম মো. গোলাম ফারুক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা যুক্ত ছিলেন।

  •