বিশ্বনাথ পৌরসভার অন্তর্ভূক্ত না হওয়া গ্রামগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করতে হাইকোর্টে রুল

9

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের সদ্য ঘোষিত বিশ্বনাথ পৌরসভায় বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রজকপুর গ্রাম, ৫নং ও ৬নং ওয়ার্ডের সকল গ্রাম, ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্বাসরাম, সরুয়ালা, সজান বরত, একাভিম, ধীতপুর, খাইয়াখাইড়, খাইয়াখাইড়বাজার, আতাপুর, রহিমপুর, ভাটশালা ও ইকবালপুরের অর্ধেকাংশের গ্রামসমূহকে কেন বিশ্বনাথ পৌরসভায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে না মর্মে রুল জারি করা হয়েছে।

পৌরসভায় অন্তর্ভূক্তির জন্যে বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রজকপুর গ্রাম, ৫নং ও ৬নং ওয়ার্ডের সকল গ্রাম, ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্বাসরাম, সরুয়ালা, সজান বরত, একাভিম, ধীতপুর, খাইয়াখাইড়, খাইয়াখাইড়বাজার, আতাপুর, রহিমপুর, ভাটশালা ও ইকবালপুরের অর্ধেকাংশের গ্রামসমূহের পক্ষে শেখ মোহাম্মদ আজাদ, শহিদুল ইসলাম, শাহনেওয়াজ চৌধুরী সেলিম এবং শামিম আহমদ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রীট পিটিশন নং ৯৯১৩/২০২০ ইংরেজি দায়ের করেন।

আজ (৩০ ডিসেম্বর) বুধবার রীট পিটিশনটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীম মহোদয়ের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য কার্য তালিকায় আসে এবং শুনানি হয়।

প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারকগণ কেন উপরোক্ত গ্রামসমূহকে নবগঠিত পৌরসভায় অন্তর্ভূক্তি করা হবে না মর্মে রুলনিশি জারিসহ জেলা প্রশাসকের বরাবরে বিগত ৮ নভেম্বর সদ্য ঘোষিত পৌরসভায় অন্তর্ভূক্তির আবেদন ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রদান করেন। আবেদনকারীর পক্ষে রীট পিটিশন শুনানি করেন সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু এমপি এবং ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম কাফি।

 

 

সবুজ সিলেট/ ৩০ ডিসেম্বর/ এহিয়া