কানাইঘাটে ডাকাতি আড়ালে হত্যা : রহস্য উন্মোচন

7

স্টাফ রিপোর্টার
২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল রাতে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার একটি বাড়িতে হানা দিয়েছিল ডাকাতদল। এসময় বাধা দিয়েছিলেন ওই বাড়ির ছেলে ইফজালুর রহমান। বাড়ির মালামালের লুটের পর সে রাতে ইফজালুরকে গুলি করে হত্যা করে ডাকাত দল। প্রায় আড়াই বছর পর এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেট। এ নিয়ে এই মামলায় এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা ডাকাত দলের সদস্য এবং এদের মধ্যে ৫ জন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত বলে পিবিআই’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

নতুন করে ৩ জনকে গ্রেপ্তার ও এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে পিবিআই সিলেট কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নতুন গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কানাইঘাট উপজেলার ছোটদেশ আগফৌদ গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে কামরুল ইসলাম (২৬) ও একই গ্রামের মৃত তজম্মিল আলীর রশিদ আহমদ (২৭) এবং উপজেলার বীরদল কচুপাড়া গ্রামের মৃত ফরিদ আহমদের ছেলে সেবুল আহমদ (৩৫)।

৩০ ডিসেম্বর কানাইঘাটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান জানান, ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল রাত ২টার দিকে সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার ছোটদেশ আগফৌদ গ্রামের আব্দুল জলিল (৭০)-এর বাড়িতে ১০/১২ জনের ডাকাত দল হানা দেয়। এসময় আব্দুল জলিল ও তার পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটে নেয়।

আব্দুল জলিলের ছেলে ইফজালুর রহমান ডাকাতদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে ডাকাতরা তাকে গুলি করে মেরে ফেলে। পরে আব্দুল জলিল বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি পরবর্তীতে পিবিআই-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে এ ঘটনায় ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পাঁচজন সরাসরি ওই ডাকাতি ও খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এদের কাছ থেকে লুটকৃত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

  •