বিয়ানীবাজারে গ্রেপ্তার তিন ডাকাত কারাগারে

11


বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি

সিলেটের বিয়ানীবাজারে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে আজ বুধবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ সময় আদালতে আসামিদের ৭ দিনের রিমাণ্ড চেয়েছে পুলিশ। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে পৌরশহরের খাসা পল্লীবিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে ডাকাতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডাকাতদের গ্রেপ্তারের পর আজ বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম। এ সময় তিনি বলেন, বিয়ানীবাজারে বড় ধরনের ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র- এমন সংবাদ পেয়ে আমরা তাদেরকে ধরার পরিকল্পনা করি। প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের সর্বশেষ অবস্থান নজরে রেখেছিলাম। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, জকিগঞ্জ সার্কেল ও ওসি হিল্লোল রায়ের নেতৃত্বে ডিবি দক্ষিণের অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১০/১২ জন ডাকাত পালিয়ে গেলেও তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতরা হলো- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার কাটাবিল গ্রামের মৃত মদরিছের ছেলে ইসলাম (৩৪), সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সাদিমাপুরের বাঙ্গালহুদার খলিলুর রহমানের ছেলে হোসেন আহমদ (৩০) ও পশ্চিম নয়াগ্রামের মৃত মালু হোসেনের ছেলে সাইরুল ইসলাম (৩৩)।

এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৬ চেম্বার বিশিষ্ট ১টি বিদেশি রিভলবার, দু’টি ওয়ান শুটারগান, ১৪টি কার্তুজ, গ্রিল কাটার, ৩টি লোহার তৈরি কাঠের বাটযুক্ত দা, একটি শাবল, দু’টি তালা ভাঙার শাবল, একটি স্লাই রেঞ্জ, ১টি প্লাস্টিকের স্ক্রু ড্রাইভার ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতদের মধ্যে ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে কমলগঞ্জ থানায় একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ ৭ মামলা ও সাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তবে অন্যজন হোসেন আহমদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

সবুজ সিলেট/ কাওছার

  •