চুক্তির ৫০ লাখ ভ্যাকসিন এসেছে দেশে

8

সবুজ সিলেট ডেস্ক::
ভারতের সঙ্গে চুক্তির ৫০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভ্যাকসিন এসে পৌঁছায়। ভারতের সর্ববৃহত ভ্যাকসিন উতপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে আসা ভ্যাকসিনগুলো নেওয়া হবে বেক্সিমকোর টঙ্গির গুদামে।

কোভিশিল্ড নামের এই ভ্যাকসিন এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে ভারতের পুনে থেকে দিল্লি বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় এসে পৌঁছায়। সকাল থেকেই বিমানবন্দরে প্রস্তুত রাখা হয় নয়টি ফ্রিজার ভ্যান। সারা দেশে পাঠানোর আগে এই ভ্যাকসিন সরকারি ওষুধ পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে ছাড়পত্র নেওয়া হবে। এরপর সরকারের চাহিদা অনুযায়ী এই টিকা ৬৪ জেলার সিভিল সার্জনদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

এর চারদিন আগে ২১ জানুয়ারি ভারতের উপহার হিসেবে ২০ লাখ ভ্যাকসিন পেয়েছে বাংলাদেশ।

গণভবন থেকে ২৭ জানুয়ারি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া ভ্যাকসিনেশন বা টিকাদান কর্মসূচিতে প্রথমদিনই নার্সের পাশাপাশি ভ্যাকসিন নিচ্ছেন আরও ২৫ জন। আর দ্বিতীয় দিন ২৮ জানুয়ারি ৫০০ জনকে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

ঢাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ভ্যাকসিন নেয়ার পর এক সপ্তাহ সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। যদি সবকিছু স্বাভাবিক থাকে তবে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পুরোদমে চলবে ভ্যাকসিন কার্যক্রম।

১৬ কোটিরও বেশি মানুষের এই দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ কোটি টিকা আনতে গত নভেম্বরে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশি ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে চুক্তি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। চুক্তিতে বলা হয়, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন অনুমোদন দেওয়ার এক মাসের মধ্যে সেরাম ইনস্টিটিউট ৫০ লাখ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে বেক্সিমকোর মাধ্যমে।

  •