২০ শতাংশ হাওর ভাতার দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

14

২০ শতাংশ হাওর ভাতার দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন করেছেন সুনামগঞ্জের শিক্ষক-কর্মচারীরা।  বুধবার বেলা ১১টায় সিলেট নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

হাওর ভাতা বাস্তবায়ন কমিটি সিলেট বিভাগ এর আয়োাজনে শিক্ষক দিপংকর শর্মা চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ এর পরিচালনায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার এর মিতালি পাবলিক উচ্চ বিদল্যায় এর প্রধান শিক্ষক ময়না মিয়া।

সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার,শাল্লা ও ধর্মপাশা উপজেলার অর্ধ শতাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীরা এই মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হাওর ভাতা না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। আমাদের হাওর ভাতা না পাওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা হাওর ভাতা থেকে বঞ্চিত। অথচ সেখানের সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাওরভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের শিক্ষকদের হাওর ভাতার প্রতি কারো নজর নেই।

শিক্ষকরা বঞ্চনার শিকার উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, মহান এই শহীদ দিবসে আমাদের হাওর ভাতা যেনো বাস্তবায়ন হয়। সরকার থেকে আমরা অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি কিন্তু আমাদের দাবি আমাদেরকে হাওর ভাতাও দেয়া হোক।

মানববন্ধন শেষে আন্দলনরত শিক্ষক কর্মচারীরা বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্কারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের হাওর এলাকার শিক্ষক-কর্মচারীরা হাওর এলাকায় শিক্ষা প্রসারের জন্য কর্মরত রয়েছেন। সরকারী শিক্ষকদের মতো তারাও শতভাগ বেতন, আংশিক বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা, উৎসবভাতা পান। সরকারের অশেষ কৃপায় ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ন্যায় পেয়ে থাকেন। হাওর অঞ্চলের কারণে সকল শিক্ষার্থী শতভাগ উপবৃত্তি পেয়ে আসছে। সরকার ঘোষিত হাওর অঞ্চলে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষক-কর্মচারীগণ ২০১৯ সালের ৫ মে থেকে ২০ শতাংশ হাওর ভাতা পেয়ে আসছেন। তবে মুজিব শতবর্ষে শিক্ষক-কর্মচারীরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, হাওরভাতা বাস্তবায়ন কমিটি সুনামগঞ্জের যুগ্ম আহবায়ক আরিফ মো. দুলাল, সৈয়দ আহমদ কবীর, শাহ ইলিয়াছ আহমদ, আনন্দমোহন চৌধুরী, সদস্য মো. মুজিবুর রহমান, লোকমান হেকিম, প্রনয় চক্রবর্তী, মো. সবীর আহমেদ, আব্দুল মান্নান, গঙ্গেস চৌধুরী, শেখ ফরিদ, নিহার রঞ্জন চৌধুরী, হরিপদ দাস প্রমুখ। প্রেস-বিজ্ঞপ্তি

  •