অচিরেই নির্বাচন : রেজাউল ইসলাম রেজা

217

স্টাফ রিপোর্টার :
দক্ষিণ সুরমার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন স্বর্ণশিখা সমাজকল্যাণ সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্টিত হয়েছিলো ২০১৬ ইং সালে। তিন বছর মেয়াদি নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হলেও বিভিন্ন কারণে নির্বাচন অনুষ্টিত হয়নি। সরকারী রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত স্বর্ণশিখা সমাজকল্যাণ সমিতির কার্যালয়ের সামনে ফাঁকা জায়গা নেই বললেই চলে। সমিতির কার্যালয়ের চারপাশে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা।

ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন স্বর্ণশিখা সমাজকল্যাণ সমিতির পাকা ঘরটির অবস্থাও করূণ। সব মিলিয়ে স্বর্ণশিখা সমাজকল্যাণ সমিতি হারাচ্ছে তার জৌলুস। অথচ কদমতলীর প্রায় প্রতিটি ঘরের নেমপ্লেইটে রয়েছে স্বর্ণশিখার নাম। ২০১৬ ইং সালের নির্বাচনে স্বর্ণশিখা সমাজকল্যাণ সমিতির ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন হয়।  কমিটি গঠনের সময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ১ ও ২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপন, সমিতির সাবেক সভাপতি প্রয়াত বেলাল উদ্দিন বিল্লাল, সমিতির উপদেষ্ঠা মির্জা আলী হায়দার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মির্জা দুলাল আহমদ,সমাজসেবী প্রয়াত খসরুজ্জামান খসরু, স্বর্ণশিখা নামের প্রবর্তক সমাজসেবী আব্দুল আহাদ, সমাজসেবী মুহিবুর রহমান,হরিদাস পাল শাওন,সমাজসেবী ও ইঞ্জিনিয়ার বাবলু হোসেন হৃদয়,হিরক আহমদ,প্রবাসী ছাদিকুর রহমান। বর্তমান সভাপতি রেজউল ইসলাম রেজা বলেন, অচিরেই স্বর্ণশিখা সমাজকল্যাণ সমিতির নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। সঠিক সময়ে নির্বাচন না হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কদমতলী একটি শান্ত ও সুন্দর জনপদ। কদমতলীতে রয়েছে বড়দের প্রতি সম্মান ও ছোটদের প্রতি মায়া মমতা। এখানে নেই কোনো বৈষম্য। স্বর্ণশিখা সমাজকল্যাণ সমিতির আগামী নির্বাচন এলাকার প্রবীণ মুরব্বী ও সমিতির উপদেষ্ঠাদের মতামতের ভিক্তিতে অনুষ্টিত হবে।

৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, রেজাউল ইসলাম রেজা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেন,সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন,আলমগীর হোসেন, আব্দুল মুমিন পান্না,সহ-সাধারণ সম্পাদক খালেকুন নূর রাসেল, আবু হানিফ তুহিন,ইয়াসিন আহমদ সাদ্দাম,সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আলী আশরাফ, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ রহমান,মনির আহমদ মনি,শিপু বক্ত,মেহেদী হাসান সাজাই, প্রচার-সম্পাদক এম এ মালেক, সহ-প্রচার সম্পাদক মনছুর আলী মাছুম,মামুন আহমদ,সুয়েজ আহমদ,দপ্তর সম্পাদক লায়েক মাহমুদ,সহ-দপ্তর সম্পাদক নিরঞ্জন পাল,ইমরান আহমদ,অর্থ-সম্পাদক মোঃ নুরুল হক স্বপন,সহ-অর্থ সম্পাদক ইয়ামিন আহমদ, লাভলু হাসান,ক্রীড়া সম্পাদক জুবেদ আহমদ,সহ- ক্রীড়া সম্পাদক মোহন আহমদ,সবুজ আহমদ,শাহজাহান আহমদ,ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক হাবিব আহমদ,সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুছ সোবহান,সাজেদ আহমদ,শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রায়হান আহমদ,সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মির্জা আলী নেওয়াজ সামি,সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ফাহাদ আহমদ,সহ- সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাকিরুল রায়হান,সমাজসেবা সম্পাদক পাপ্পু আহমদ,সহ- সমাজসেবা সম্পাদক দিদার আহমদ,পরিবেশ সম্পাদক সুশিল পাল,সহ- পরিবেশ সম্পাদক শওকত আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পারভেজ মাহমুদ অপু, সহ- তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক শাহজাহান আহমদ,খাজেদ আহমদ,ত্রান ও দূর্যোগ সম্পাদক জাকির রশিদ চৌধুরী,সহ- ত্রান ও দূর্যোগ সম্পাদক জাকারিয়া আহমদ,ইমরান আহমদ, আপ্যায়ণ সম্পাদক শিপলু আহমদ,সহ- আপ্যায়ণ সম্পাদক মাসুদ আহমদ,রাজু আহমদ। কমিটির নির্বাহী সদস্যরা হলেন, বেলাল আহমদ,জুনেল আহমদ,শামীম আহমদ,সামছুল আলম মাছুম,তাওহীদুর রহমান শাকির,মুসতাকিন,রাহিন আহমদ,হাবিবুর রহমান,টিপু আহমদ,শাহ নেওয়াজ,অলি আহমদ, সাবের আহমদ,জুবেদ আহমদ, কামরুজ্জামান, এপলু হাসান, জুনেদ আহমদ, সানি আহমদ,নাঈম আহমদ,জুয়েল,শাকিল,শুভ বক্ত,সায়মন, সাবেল,সাদ্দাম,দিপু আহমদ, প্রমুখ।

  •