উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়া সেতু পরিদর্শনে সচিব

14

নিজস্ব প্রতিবেদক::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ধসেপড়া কান্দুনালা সেতু পরিদর্শন করেছেন সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম।

আজ শুক্রবার দুপুরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় সেতু সচিব জানান, ঠিকাদার কিংবা স্থানীয় সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের কোন গাফিলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সেতু ধসেপড়ায় ঠিকাদার কোনো ক্ষতিপূরণ পাবেন না। তাদের নিজ খরচেই সেতুটি আবার নির্মাণ করে দিতে হবে।

গত রোববার সন্ধ্যায় ১০ কিলোমিটারের মাথায় কুন্দানালা খালের উপর নির্মিতব্য সেতুর ৫ টি গার্ডার একে একে ভেঙে যায়।

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে জগন্নাথপুর তথা সুনামগঞ্জের দুরত্ব কমাতে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ডাবর পয়েন্ট থেকে পাগলা-জগন্নাথপুর-রানীগঞ্জ আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়ক হচ্ছে। এই সড়কের প্রশস্তকরণ দেড় বছর পূর্বে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ডাবর পয়েন্ট থেকে জগন্নাথপুর পর্যন্ত ড্রেনেজসহ ২২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ডাবর থেকে জগন্নাথপুর অংশে পুরাতন সেতুগুলো ভেঙে ৭ টি নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে ৬ মাস আগে থেকেই। সাতটি সেতু নির্মাণকাজে ১১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজ করছে ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এমএম বিল্ডার্স এ- ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড।

গত রোরবার রাতে ওই সড়কের ছাতক অংশের কুন্দানালা খালের উপর প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ ফুট ১২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ ফুট ২৫ মিটার প্রস্তের সেতু নির্মাণাধীন সেতুটি ধসে পড়ে। অভিযোগ ওঠে নিন্মমানের কাজের জন্য সেতুটি ভেঙে পড়েছে। তবে টিকাদারী প্রতিষ্ঠান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি গার্ডার বসানোর সময় হাইড্রোলিক জ্যাক বিকল হাওয়ায় সেতুটি ধসে গেছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ তাৎক্ষণিক দাবি করেন, কাজে কোন অনিয়ম হয় নি। ১৬০ টন ওজনের গার্ডার বসানোর সময় হাইড্রোলিক পাইপ ফেটে যাওয়ায় ওজন নিতে পারে নি, একটার ওপর আরেকটা পড়ে সব কয়টি ভেঙে গেছে।

  •